― Advertisement ―

বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

পারস্পরিক স্বার্থে ‘বিশ্বের সবচেয়ে উদার’ বিনিয়োগ ব্যবস্থার সুবিধা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের প্রধান খাতগুলোয় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার বেইজিংয়ের সাংগ্রি-লা সার্কেলে...

ট্রাম্পের শুল্ক কমানোর লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপে তাইওয়ান সরকার

ওয়াশিংটনের সাথে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে বড় ধরনের অগ্রগতির ঘোষণা দিয়েছে তাইওয়ান। মঙ্গলবার তাইওয়ানের বাণিজ্যিক প্রতিনিধি দল নিশ্চিত করেছে যে, উভয় পক্ষ একটি ‘সাধারণ ঐকমত্যে’ পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে চুক্তিটি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে শেষ পর্যায়ের বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে।

গত বছরের এপ্রিলে এই আলোচনার সূত্রপাত হয়, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইওয়ানিজ পণ্যের ওপর ৩২ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে এই শুল্কের হার কমিয়ে ২০ শতাংশে আনা হলেও তাইওয়ানের মূল লক্ষ্য ছিল এটি আরও কমানো এবং বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ রপ্তানির ক্ষেত্রে বাড়তি করের বোঝা এড়ানো। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বাণিজ্যিক এই সমঝোতার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো মার্কিন ‘সেকশন ২৩২’-এর আওতায় বিশেষ সুবিধা অর্জন করা, যা সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাইওয়ান সরকার জানিয়েছে, চুক্তিটি চূড়ান্ত রূপ পেলে এর প্রতিটি ধারা এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পার্লামেন্ট ও সাধারণ মানুষের সামনে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হবে।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চিপ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান টিএসএমসি ইতোমধ্যে আমেরিকায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। তবে তাইওয়ান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই বিনিয়োগ সত্ত্বেও তাদের সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত মানের সেমিকন্ডাক্টর তৈরির প্রযুক্তি দেশেই সংরক্ষিত থাকবে। এশিয়া ও আমেরিকার মধ্যকার এই বাণিজ্যিক সমীকরণ বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।