― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

বিইআরসির মধ্যস্থতায় ধর্মঘট তুলে নিলেন গ্যাস ব্যবসায়ীরা

সারা দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ ও বিপণন নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থার অবসান ঘটেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার পর আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্বঘোষিত অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ‘এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড’।

বিইআরসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই জরুরি বৈঠকে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তিনটি সুনির্দিষ্ট সংকট তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে বিপণন পর্যায়ে প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধ, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের লভ্যাংশ (চার্জ) বৃদ্ধি এবং এলপিজির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম খান জানান, কমিশনের ইতিবাচক আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে তাঁরা কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বৈঠক শেষে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, মাঠ পর্যায়ে ব্যবসায়ীদের ওপর চলমান অভিযান নিয়ে তাঁরা প্রশাসনের উচ্চমহলে কথা বলবেন। পাশাপাশি খুচরা পর্যায়ে লভ্যাংশ বাড়ানোর বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যালোচনার আশ্বাস দেন তিনি। জাহাজ সংকটের কারণে আমদানিতে যে বাধা ছিল, তার বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো কমিশনকে নিশ্চিত করেছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

ধর্মঘট প্রত্যাহার হলেও সিলিন্ডারের খুচরা দাম নিয়ে একধরনের অস্বস্তি থেকেই যাচ্ছে। ব্যবসায়ী সমিতির দাবি, আমদানিকারকদের কাছ থেকেই তাদের সিলিন্ডারপ্রতি ১ হাজার ৩০০ টাকার বেশি খরচ পড়ছে, যা সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি। ফলে ১ হাজার ৫০০ টাকার নিচে ১২ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি করা তাদের পক্ষে লোকসান। অন্যদিকে, বিইআরসি চেয়ারম্যান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, জানুয়ারি মাসের জন্য নির্ধারিত ১ হাজার ৩০৬ টাকার বেশি দামে পণ্য বিক্রির কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন দাবিতে গতকাল বুধবার হঠাৎ করে এই ধর্মঘটের ডাক দেয় ব্যবসায়ী সমিতি। যার ফলে আজ সকাল থেকে ঢাকা, গাজীপুর ও সিলেট বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকেলের এই সিদ্ধান্তের পর সন্ধ্যায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পুনরায় এলপিজি সরবরাহ ও খুচরা বিক্রি শুরু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ভোক্তা পর্যায়ে স্বস্তি ফেরাতে বিইআরসির নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়ন এবং সরবরাহের ঘাটতি দ্রুত মেটানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।