― Advertisement ―

‘নিষ্প্রভ’ কেইনের কাঁধে সতীর্থদের আস্থার হাত

বুন্ডেসলিগায় গোলের পর গোল করে ইউরোতে খেলতে এসে নিজেকে যেন খুঁজে ফিরছেন হ্যারি কেইন। টুর্নামেন্টে এখনও দেখা যায়নি তার সেরা চেহারা। তবে এনিয়ে একদমই...

‘ভারতেই খেলতে হবে, নয়তো পয়েন্ট হারানোর হুমকী’ আইসিসি’র!

‘হয় ভারতেই খেলতে হবে নতুবা পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকি নিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বাইরে থাকতে হবে’ বলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উদ্দেশ্যে হুশিয়ারী দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

গতকাল মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক ভার্চুয়াল বৈঠকের পর আইসিসি এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশকে। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত ছাড়া অন্য কোনো দেশে আয়োজনের অনুরোধ তারা গ্রহণ করছে না বলে ক্রিকেট বিষয়ক পোর্টাল ইএসপিএন ক্রিকইনফো এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে বিসিবি’র দাবি, আইসিসির পক্ষ থেকে এমন কোনো চূড়ান্ত শর্ত বা ‘আলটিমেটাম’ তাদের জানানো হয়নি।

এদিকে, মঙ্গলবারের বৈঠকের ফলাফল নিয়ে এখনো পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কিংবা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড- কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি দেয়নি।

এর আগে গত রবিবার বিসিবি আইসিসিকে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের বিষয়টি ‘বিবেচনা’ করার অনুরোধ জানালে, এরপরই আইসিসি এই বৈঠকের আয়োজন করে। আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি টুর্নামেন্ট শুরু হয়ে ৮ই মার্চ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৯তম আসরের জন্য গত ১৬ই ডিসেম্বর আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত নিলামে কোলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিয়েছিল।

মোস্তাফিজকে ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘জঙ্গি ‘ হিসেবেও তকমা দিয়ে ভারতের কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে। তারা কেকেআর এর স্বত্বাধিকারী শাহরুখ খানের বিরুদ্ধেও ক্যাম্পেইন চালায়।

এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটেই তারা বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে দলে নেওয়াকে ‘ভারতীয়দের আবেগের বিরুদ্ধে’ সিদ্ধান্ত বলে আখ্যায়িত করে। এরই ধারাবাহিকতায়, গত ৩ জানুয়ারি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড জানায়, তারা কোলকাতা নাইট রাইডার্সকে মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।

এরপর বাংলাদেশে ক্রিকেট বোর্ড এক বিবৃতিতে জানায়, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে বাংলাদেশ দল ভারতে যাবে না। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো যেন ভারতের বাইরে অন্য কোনো ভেন্যুতে আয়োজন করা হয়, সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধও করা হয়।