― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

সম্ভাব্য পরবর্তী সরকারের আনুকূল্য পেতে ব্যস্ত অধিকাংশ কর্মকর্তা

জন প্রশাসন থেকে পুলিশ তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবাই দলীয় আনুকূল্য পেতে ইতোম্যেই তেলবাজি ও তোয়াজ-তোষামোদি শুরু দিয়েছেন। কারা আসবে পরবর্তী সরকারে তা বিবেচনায় নিয়ে তোষামোদির মা্ধ্যমে চেয়ার রক্ষা, পদোন্নতি ও ভালো পোস্টিং পাওয়াকে অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী গুরুত্ব দিচ্ছেন। তারা রাজনৈতিক বা দলীয় আনুকূল্যকে মর্যাদার বিষয় বলে মনে করছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংস্কৃতি এক দিনে চালু হয়নি। অতীতের সরকারগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে। এটা তার অনিবার্য ফল।

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে শুরু হয়েছে ক্ষণগণনা। সে হিসাবে নির্বাচনের বাকি আছে আর ৩৬ দিন। এ দিনগুলো দেশের মানুষের কেমন কাঁটবে, তা নির্ভর করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আন্তরিকতার ওপর।

সরকারের হয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে কাজ করার কথা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। তবে পরবর্তী সরকার কে বা কোন দলের হবে, সে হিসাবনিকাশ শুরু হয়েছে পুলিশসহ বেসামরিক প্রশাসনেও।

আর এ কারণেই কাজের চেয়ে আগামী সরকারের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টায় মত্ত অনেকে। পুলিশ তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রুটিন কিছু কাজের বাইরে তাদের তেমন কোন ভূমিকায় দেখা যাচ্ছেনা। তবে রুটিন কাজ চললেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধিকাংশ কর্মকর্তা আড্ডায় সময় পার করছেন।

অন্যদিকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যেও আগামী সরকার নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

তারেক রহমানের কাছে বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা, ব্যাংক খাতে সুদহার কমানো, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট দূর করা, প্রশাসনে দুর্নীতি বন্ধসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জানাচ্ছেন তারা।

এ বিষয়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘আইন ও বিধির আলোকে রুটিন কাজ করা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব। সেবা প্রদান তাদের নৈতিক কর্তব্য। পরবর্তী সরকারে কারা আসবেন, তা দেখা কোনো সরকারি কর্মচারীর কাজ না।’

জনাব ফিরোজ আরো বলেন, ‘গোটা প্রশাসনযন্ত্র গতিপথ হারিয়েছে। সবাই দলীয় আনুকূল্য পেতে আগ্রহী। তেলবাজি ও তোয়াজ-তোষামোদি করে চেয়ার রক্ষা, পদোন্নতি ও ভালো পোস্টিং পাওয়াকে অধিকাংশ কর্মচারী মর্যাদার বিষয় মনে করেন।’

‘অতীতের সরকারগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে। এটা তার অনিবার্য ফল বলে মন্তব্য করেন প্রশাসনের সাবেক এই শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা।’