― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

বিমানবন্দরের অগ্নিকান্ডে ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ দেবে কে?

নিজস্ব প্রতিবেদক

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। আসলে কত টাকার ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে এখনো কাজ করছে তদন্ত কমিটি। ক্ষতি যাই হোক, তা পূরণ করবে কে? এ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা দ্বিধায় রয়েছেন।

কার্গো ভিলেজে পুড়ে যাওয়া পণ্য বা ক্ষয়ক্ষতির চেয়ে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিমানবন্দরে নতুন আসা বিপুল পরিমাণ পণ্য রাখা ও এর ব্যবস্থাপনা নিয়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটে একটি অস্থায়ী শেড করা হয়েছে নতুন আসা পণ্যের জন্য।

বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-সহ রপ্তানিমুখি সব সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ইএবি) বলছে, আগুনের ঘটনায় বিদেশিদের মধ্যে বন্দরে পণ্যের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এদিকে, ঔষধ শিল্প সমিতি জানিয়েছে, আগুনে এখন পর্যন্ত ২০০ কোটি টাকার বেশি কাঁচামাল পুড়ে শেষ হওয়ার তথ্য দিয়েছে তাদের ৩২টি কোম্পানি। পূর্ণাঙ্গ তথ্য পেলে ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

স্কাই বাই বিডি নামের একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার রাসেল বিন আহাদ জানান, তিনি ব্যাগ, জুতা ও জুয়েলারিসহ বিভিন্ন ধরনের ছয় টন মালামাল আমদানি করেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমার ভাগ্য খারাপ। মাল ছাড়িয়ে আনার সব প্রক্রিয়া শেষ করেছিলো আমার সিএন্ডএফ এজেন্ট। রোববার দিনের শুরুতেই বিমানবন্দর থেকে ছাড় হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু সব পুড়ে শেষ হয়ে গেলো।’

তিনি যেই সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মালামাল ছাড় করাচ্ছিলেন তার মালিক আব্দুর রশীদ জানান, পুড়ে যাওয়া মালামালের ক্ষতিপূরণ নিয়ে কাস্টমস থেকে তাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘তবে কী হবে বা কোন প্রক্রিয়ায় হবে তা নিয়ে এখনো আমাদের কিছু জানানো হয়নি। শুধু বিজিএমইর সদস্য যারা তাদের বিজিএমইএর সনদসহ অন্য কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। বাকিদের কী হবে জানি না। দেখা যাক কী হয়, আমরা কাস্টমসের সাথে লেগে আছি’।

এদিকে কাস্টমসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সুনির্দিষ্টভাবে জানার পর হয়তো ক্ষতিপূরণের প্রসঙ্গটি আসবে। এখণ নতুন আসা পণ্য কীভাবে রাখা হবে, কিংবা তার ব্যবস্থা কীভাবে হবে তা নিয়ে রোববারই সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করেছেন তারা।

‘আপাতত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিএন্ডএফ এজেন্টরা সব আমদানিকারকদের সাথে যোগাযোগ করে স্বল্পতম সময়ে শুল্ককর পরিশোধ করে পণ্য দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করবেন। এক্ষেত্রে যেদিন পণ্য বন্দরে নামবে সেদিনেই খালাসের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে’, বলেন কাস্টমস কর্মকর্তা।