― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

৮ মাসে অপহরণের শিকার ৭১৫ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে দেশে অপহরণের শিকার হয়েছেন ৭১৫ জন। গত বছর এই একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৩৪০।

অর্থাৎ দেশে অপহরণসংক্রান্ত অপরাধের হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। যা গত এক বছরে এই হার দ্বিগুণের বেশি।

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত মাসিক অপরাধ পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার পর্যবেক্ষণে সংখ্যাগত কিছু পার্থক্য থাকলেও অপরাধ বৃদ্ধির চিত্র মোটামুটি একই।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে মোট অপহরণের শিকার হয়েছিল ৬৪২ জন। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৫১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪৩ জন, মার্চে ৫১ জন, এপ্রিলে ৫৫ জন, মেতে ৫০ জন, জুনে ৩১ জন, জুলাইয়ে ৩২ জন, আগস্টে ২৭ জন, সেপ্টেম্বরে ৬৫ জন, অক্টোবরে ৯৬ জন, নভেম্বরে ৬৭ জন এবং ডিসেম্বরে অপহরণের শিকার হয় ৭৪ জন। এর মধ্যে আগস্ট পর্যন্ত প্রথম আট মাসে অপহরণের শিকার হয় ৩৪০ জন।

সম্প্রতি প্রকাশিত সিজিএসের ‘বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টস ২০২০-২৫; এ ডেটা-ড্রাইভেন লুক অ্যাট রাইজিং ক্রাইম ট্রেন্ডস’ প্রতিবেদনে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘২০২৫ সালে মাসে গড় অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ৮৬.১৭টি, যা গত বছর ছিল ৫৩.৫। আগের বছরের তুলনায় অপহরণ বেড়েছে ৬১.০৭ শতাংশ। গত ছয় বছরে এটি সর্বোচ্চ রেকর্ড।’

এ বিষয়ে সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক গণমাধ্যমে বলেন, ‘যখন কোনো অপরাধ বেড়ে যায়, তখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কোনো একটি কারণ উপস্থাপন করে তার বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে নিয়ন্ত্রকদের এমন ব্যাখ্যা দাঁড় করানো অপেশাদারির লক্ষণ।

তিনি বলেন, এই অপচেষ্টার কারণে অপরাধীরা নানাভাবে সুযোগ পায়। রাজনৈতিক স্বার্থে পুলিশ ব্যবহৃত হওয়ায় তারা ভিন্ন দল ও মতকে দমন করে। ফলে সমাজে অপরাধের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। দেশে প্রতিদিন গড়ে তিনজন অপহরণের অর্থ হলো দেশে আইনের শাসনের বড় ঘাটতি রয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপুলিশ পরিদর্শক (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রতি মাসে অপরাধের তথ্য প্রকাশ করা হয়। এর মধ্য দিয়ে সমসাময়িক অপরাধের ‘ট্রেন্ড’ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।