নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আমেরিকা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের গত এক মাসের কর্মকান্ডে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ট্রেসি গত এক মাসে ঢাকা ও লন্ডনে ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক দল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের সাথে একাধিক বৈঠক করেছেন। আর এসব বৈঠকে আগামী নির্বাচন, রাজনৈতিক সংস্কার সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, চীন-ভারত-রাশিয়ার নতুন মেরুকরণ, ইন্দোপ্যাসিফিক কৌশল সহ যাবতীয় বিষয় মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে তাদের তৎপরতা বাড়িয়ে প্রভাব তৈরি করতে চাইছে।
এছাড়া গণ-অভ্যুত্থানের পর যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি আগ্রহের পাশাপাশি বিএনপিও কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। বিএনপি রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কূটনীতিকদের কাছে তাদের অবস্থান তুলে ধরছে।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের বড় রাজনৈতিক পক্ষ বিএনপি। যেহেতু আগামী সপ্তাহেই নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করবে। সেহেতু যাদের আগ্রহ আছে তাদের তৎপরতা বাড়বেই। আর কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের নির্বাচন পদ্ধতি, সুশাসন এবং গণতন্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের আগ্রহ বাড়ছে।
তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনগুলোর সময়েও তারা সেই সময়ের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিরোধী দল এবং বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে। নির্বাচন নিয়ে তাদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে। নির্বাচন যেন অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয় এ নিয়ে তারা সবপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
সূত্র: দেশ রূপান্তর



