ছবির কথায় আজ থাকছে ফুলে-ফলে ভরা এক রঙ্গিন কলেজ ক্যাম্পাসের কথা। দেখতে ছবির মতো সুন্দর এই ক্যাম্পাসের অবস্থান ঝালকাঠির রাজাপুরে।

রাজাপুর উপজেলা সদর থেকে কিছুটা দূরে কোলাহল মুক্ত পরিবেশে এই ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা করা হয় স্বাধীনতার এক বছর আগে ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে।

প্রতিষ্ঠার চার যুগ পর কলেজটি সরকারি হয়েছে। তবে সরকারি হওয়ার আগেই কলেজের পরিবেশ উন্নত করেছে কর্তৃপক্ষ।

এই পরিবেশ উন্নয়নে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম বারী খান ও ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক জহিরুল ইসলাম জুয়েল।

তাদের শ্রম, মেধা ও অর্থ দিয়ে কলেজে রোপণ করেছেন শতাধিক প্রজাতির ফলদ-বনজ ও ফুলসহ বিভিন্ন ধরণের সৌন্দর্যবর্ধনের গাছ।

কলেজ ক্যাম্পাসে কিছু বিপন্ন প্রজাতি উদ্ভিদও রয়েছে। এখানে দেখামেলে গোলাপ জাম গাছের। এছাড়াও বিভিন্ন ধরণের আমরুল-জামরুল রয়েছে এই ক্যাম্পাসে।

শুরু তাই নয়, এখানে কামরাঙ্গা, আমলকি, সফেদা, পেয়ারা, ডালিম, জলপাই, জাম্বুরা, বড়ই, আমরা, কাঁঠাল, কাঠ বাদাম, নারকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতি লেবু গাছ রয়েছে এখানে।

এতো গেল ফলের কথা। এখানে আছে বিভিন্ন প্রজাতি ফুলের সমাহার। কলেজের পশ্চিম প্রান্তে একটি ফুল বাগান রয়েছে। সেখানে অসংখ্য প্রজাতির ফুল গাছ আছে।

এছাড়াও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে শিউলি, কামিনী, বেলিসহ নাম না জানা অনেক প্রজাতির ফুল। যা কলেজ ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধনে ভূমিকা রাখছে।

এই বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির ছোঁয়া পেয়ে গাছগুলো যেন তাদের রূপের ঝলক দেখাচ্ছে। পুরো ক্যা্ম্পাসটি এখন লাল আর সবুজে ভরে গেছে।

ক্যাম্পাসের খেলার মাঠের পূর্বপ্রান্তে কৃষ্ণচুড়া গাছগুলো এখন ফুলে ফুলে ভরে আছে। এখানে প্রতিদিন সকাল-বিকাল প্রকৃতি প্রেমিরা ভীড় করেন ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। পাশাপাশি সুন্দর পরিবেশে শরীরচর্চা করেন অনেক স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ।

ক্যাম্পাস ঘুরে আজ মঙ্গলবার (২৭ মে) সকালে ছবি তুলেছেন ও লিখেছেন মেহেদী হাসান জসীম।



