― Advertisement ―

পারভীন হত্যা: খুনি রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল হাই কোর্টে

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত খুনি রসু খাঁর মৃতুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের...

পটুয়াখালীতে কারারক্ষীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক,পটুয়াখালী:

পটুয়াখালী জেলা কারাগারের ব্যারাক থেকে সাজেদুর রহমান মিলন (৪২) নামে এক কারারক্ষীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সন্ধায় জেলা কারাগারের নিচ তলার ব্যারাকের ভেতরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।


নিহত সাজেদুর রহমান শেরপুর জেলার শ্রিবর্ধি থানার সাইফুল ইসলামের ছেলে। তার এক ছেলে ও দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। কারারক্ষী সাজেদুরকে গত ৩১ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলা কারাগার থেকে পটুয়াখালী জেলা কারাগারে বদলি করা হয় । তিনি চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি পটুয়াখালী জেলা কারাগারে যোগদান করেন।


জেলা কারাগারের কারারক্ষী ও সাজেদুরের পরিবার সূত্রে জানাগেছে, বুধবার দুপুর ১২টায় কারারক্ষী সাজেদুর রহমানের ডিউটি শুরু হয় এবং সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হয়। ডিউটি শেষ করে তিনি বাসায় না যাওয়ায় তাঁর স্ত্রী ফাহিমা বেগম তাকে খোঁজ করতে কারাগারে পৌঁছান। অনেক খোঁজাখুজির পর নিচতলার একটি ব্যারাকের দরজা ভেঙ্গে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় কারারক্ষীরা ও তার স্ত্রী। এসময় তাঁকে নামিয়ে দ্রুত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় তাঁর স্ত্রী ফাহিমা বেগম সঙ্গে ছিলেন। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন।


পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সন্ধ্যার পরে সাজেদুর রহমান নামে কারারক্ষিকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়।


নিহত কারারক্ষী সাজেদুর রহমানের স্ত্রী ফাহিমা বেগম জানান, তার স্বামী সাজেদুর রহমান বেশকিছুদিন অসুস্থ ছিলো। তিনি জেলা কারাগারের জেলারের কাছে ছুটির আবেদনও করেছিলেন।


পটুয়াখালী জেলা কারাগারের জেলার মোঃ লাভলু কারারক্ষী সাজেদুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাজেদুর রহমান অসুস্থ থাকার কারনে কয়েকদিন আগেও ছুটিতে ছিলো। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম জানান, কারারক্ষির মরদেহ উদ্ধারের ব্যাপারে পটুয়াখালী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।