বরিশাল মেইল ডেস্ক
হামাসের গাজাভিত্তিক নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ। যার ফলে ইসরাইল তার সম্ভাব্য মৃত্যুর প্রমাণ খুঁজতে তদন্তে নেমেছে। কয়েকমাস আগেই ইরানে খুন হয়েছিলেন হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়েহ। তার জায়গায় প্যালেস্টাইনের হামাস সংগঠনটির নতুন প্রধান হয়েছিলেন ইয়াহিয়া সিনওয়ার। গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের বুকে হওয়া ভয়ানক হামলার মূলচক্রী এই ফিলিস্তিনি যোদ্ধা। গাজায় ইসরাইলি সেনার বিমানহানায় এবার নাকি প্রাণ গিয়েছে সিনওয়ারের! ইসরাইলের পাবলিক ব্রডকাস্টার কান, হারেৎজ, মারিভ এবং ওয়াল্লার মতো সংবাদমাধ্যম এবং আইডিএফ মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টরেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, গাজায় সাম্প্রতিক ইসরাইলি হামলায় সিনওয়ার নিহত হতে পারে। পুরো বিষয়টি তাই খতিয়ে দেখছে ইসরাইলের প্রশাসন। এই দাবি সমর্থন করার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। এদিকে শিন বেট এজেন্সি মনে করে যে, তিনি এখনও বেঁচে আছেন।
টাইমস অফ ইসরাইলের মতে, কিছু প্রতিবেদন সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে যে, অধরা হামাস প্রধান যিনি ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলার পর থেকে গাজায় সুড়ঙ্গে লুকিয়ে ছিলেন, যুদ্ধবিরতি আলোচনা সম্পর্কিত বার্তা দেওয়ার জন্য পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার আগে ইচ্ছে করেই আত্মগোপন করে আছেন। একাধিক আউটলেটের উদ্ধৃতি দিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে, সিনওয়ারের মৃত্যুর যে কোনো দাবি বর্তমানে অনুমানমূলক এবং এর কোনো দৃঢ় ভিত্তি নেই। হারেৎজ, সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে ইসরাইল সেই এলাকায় টানেল বোমা করেছে যেখানে সিনওয়ার লুকিয়ে আছে বলে ধারণা করা হয়েছিল, তবে তার নিহত হওয়ার কোনও নিশ্চিত প্রমাণ নেই।তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে লো প্রোফাইল বজায় রাখতে পারেন বলে মনে করছেন অনেকে। ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামলার পর থেকে হামাসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরাইল। যার মধ্যে রয়েছেন গোষ্ঠীর সামরিক শাখার প্রধান মুহাম্মাদ দেইফ এবং খান ইউনিস ব্রিগেড প্রধান রাফাআ সালামেহ ৷
চলতি বছরের শুরুতে ইরান ও বৈরুতে ড্রোন হামলায় হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়েহ এবং উপপ্রধান সালেহ আল-আরৌরিও নিহত হন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ইয়াহিয়া সিনওয়ার এবং তার ভাই মুহাম্মদ ইসরাইলি বাহিনীর প্রধান টার্গেট ছিলেন, তবুও তাদের শনাক্ত করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে।
সূত্র : এনডিটিভি



