নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমার থেকে চলে আসা রোহিঙ্গারা এখন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সংকট তৈরি করেছে। এই সংকট নিরসনে দেশ-বিদেশে নিম্নপর্যায় থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা, সভা-সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরত পাঠানো নিয়ে স্থায়ী কোন সমাধান আজ পর্যন্ত হয়নি।
কবে থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা আসতে শুরু করে:
১৯৭০ এর দশক থেকে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা আসতে শুরু করলেও ১৯৯০ দশকে এবং ২০১৭ সালে বেশি সংখ্যক আসেন। এরপর থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসা থামানো যায়নি৷ বাংলাদেশ এখন রোহিঙ্গাদের সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যাই সাড়ে ১২ লাখেরও বেশি৷

সব শেষ ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় এক লক্ষ আঠারো হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন জেনেভায় জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশন :
জেনেভায় মানবাধিকার পরিষদের চলমান ৫৯তম অধিবেশনে ওআইসির উদ্যোগে উত্থাপিত ‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি শীর্ষক রেজ্যুলেশন গৃহীত হওয়ার প্রাক্কালে রোহিঙ্গাদের সংকট নিরসন ও পত্যাবাসনের বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন জেনেভায় জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।

সমাধানের দায়িত্ব কাদের?
রোহিঙ্গা সংকটের একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করার জন্য বাংলাদেশ সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে অধিবেশনে জানান রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
কিন্তু রাখাইনে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে তাদের অধিকার ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে দ্রুত একটি অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
টিবিএম/জ/রা



