ডেস্ক রিপোর্টঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদেরকে গ্রেপ্তার না করার কারণ জানতে চেয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে এবং প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার চিফ প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তিন মাস দেশে অবস্থানের পরও ওবায়দুল কাদেরকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি, তা তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। একইসঙ্গে, তিনি কীভাবে দেশ ত্যাগ করেছেন, সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, “আদালতের নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ইন্টারপোলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ট্রাইব্যুনাল।”
গুম কমিশনের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তাজুল ইসলাম জানান, “গুম, হত্যা ও অন্যান্য অপরাধের নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনা সরাসরি জড়িত ছিলেন। এমনকি সিমেন্টের বস্তায় লাশ ভরে নদীতে ফেলার মতো নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডেও তাঁর সম্পৃক্ততার প্রমাণ গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া গেছে।”
আদালত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত শেষ করার জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছে। এছাড়া, গত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার মামলার তদন্ত শেষ করতে দুই মাস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা এবং সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মহিতুল হক এনাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন প্যানেল এই নির্দেশ দেন।
বিএম/সজীব
আশুলিয়ায় হাসিনা-কাদেরসহ ২১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা
ওবায়দুল কাদেরের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ



