আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অব্যাহত হামলায় লেবানন ও গাজায় আবারও রক্ত ঝরেছে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে চালানো ইসরায়েলি হামলায় সাতজন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের নিষ্ঠুর বিমান হামলায় অন্তত ৩৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, যাদের মধ্যে পাঁচজন শিশু।
এদিকে, ইয়েমেনি গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রেখেছে। হোদেইদা বিমানবন্দরে তিনটি এবং লোহিত সাগরের আল সালিফ বন্দরে একাধিক হামলা চালানো হয়েছে।
এর আগে, লেবানন থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে দফায় দফায় রকেট ছোড়া হয়। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, উত্তর সীমান্তে নিক্ষিপ্ত তিনটি রকেট প্রতিহত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানায়, লেবানন থেকে কমপক্ষে পাঁচটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়, যার মধ্যে তিনটি প্রতিহত করা সম্ভব হলেও দুটি লেবাননের মধ্যেই আছড়ে পড়ে।
এছাড়া, হুথি বিদ্রোহীরাও ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, ইয়েমেন থেকে উৎক্ষেপিত একটি ক্ষেপণাস্ত্র তারা আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ভয়াবহ আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এখন পর্যন্ত সেখানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪৯ হাজার ৭৪৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ১৩ হাজার ২১৩ জন আহত হয়েছেন। তবে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস দাবি করেছে, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি, যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। কারণ, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হিজবুল্লাহ ও হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যতদিন ফিলিস্তিনিদের ওপর আগ্রাসন চলবে, ততদিন তাদের প্রতিরোধও অব্যাহত থাকবে।
বিএম/সজীব



