― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

আসিয়ান জোটে ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’ হতে চায় বাংলাদেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের (ASEAN) সাথে বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে জোর দিয়েছে বাংলাদেশ। সরকার সংস্থাটির সাথে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’ (এসডিপি) স্ট্যাটাসের জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে।

সোমবার রাতে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আসিয়ান প্রতিষ্ঠার ৫৯তম বার্ষিকী উদযাপনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা জানান মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশীদ। ঢাকাভিত্তিক কূটনৈতিক মিশনগুলোর যৌথ প্ল্যাটফর্ম ‘আসিয়ান ঢাকা কমিটি’ (এডিসি) এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার আসিয়ান এবং এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রারম্ভিক পদক্ষেপ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রথম বিদেশ সফরটি মালয়েশিয়ায় সম্পন্ন করেন, যা আঞ্চলিক সম্পর্কে ইতিবাচক বেগ এনে দিয়েছে।

মোহাম্মদ আমিনুর রশীদ জানান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রায় পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয়ে ‘বাংলাদেশ-আসিয়ান কোঅপারেশন প্রজেক্ট অন ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার’ শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া পর্যটন, তথ্যপ্রযুক্তি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) এবং সংস্কৃতি খাতে বেশ কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক প্রকল্প বর্তমানে চালুর অপেক্ষায় রয়েছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভৌগোলিক সীমানা, ঐতিহাসিক সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের বন্ধনে আসিয়ানভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর সাথে বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। এই দীর্ঘস্থায়ী বহুমাত্রিক সম্পর্ককে আরও উচ্চধাপে উন্নীত করতে সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের আন্তরিক সহযোগিতা চান তিনি।

এডিসি চেয়ার ও মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মো. শুহাদা ওসমান স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। এরপর ২০২৬ সালের জন্য আসিয়ানের চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত দেশ ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পাদিলা কাইংলেট বিশেষ বার্তা পেশ করেন। বার্ষিক এই আয়োজনের থিম ছিল “ন্যাভিগেটিং আওয়ার ফিউচার, টুগেদার”।

অনুষ্ঠানে দেশীয় ও বিদেশী কূটনীতিক, শীর্ষ ব্যবসায়ী, বেসামরিক ও সামরিক আমলা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক জোটের সুদীর্ঘ ৫৯ বছরের সফল অগ্রযাত্রাকে তুলে ধরে একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।