― Advertisement ―

লোকে জানল, তিনি ব্র্যাড পিটের প্রেমিকা

প্রেমিকাকে নিয়ে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা শুরু করেছেন হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট। এতদিন তার গোপন প্রেম নিয়ে মানুষের মধ্যে যে ফিসফাস, সেসব বন্ধ করে দিলেন এই...

আমি যে আন্দোলনে গিয়েছি, আব্বু–আম্মু সেটা জানতই না: সাফা কবির

বরিশাল মেইল ডেস্ক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিবর্তন আসে। অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তী সময়ে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করেন। কেউ কাজ করেন নিজের এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কেউ কেউ আবার দিনের পর দিন ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের কষ্টের সঙ্গে নিজের কষ্ট ভাগাভাগি করলেন অভিনেত্রী সাফা কবির। তিনি বলেন, ‘ফ্যান ছাড়া রোদে শুটিং করি, আমরা বুঝি রোদে শিক্ষার্থীদের ট্রাফিকের কাজের কষ্ট।’

শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পাশে ছিলেন সাফা কবির। পরে দেশে পরিবর্তন এলে দেশকে নিয়ে নতুন করে ভাবনার কথা জানালেন। এই সময়ে শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করে এই তরুণ অভিনেত্রী বলেন, ‘দেশটা পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের নিজেদের পরিবর্তন করতে হবে। নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে। বাংলাদেশি হিসেবে আমরা সব সময় অন্যের ভুল ধরার সুযোগ খুঁজি। এভাবে ভুল না ধরে আমি যতটুকু জানি, সেটা শেখানো হলে বা কেউ ভুল করলে শুধরে দিতে পারি। যে কিছু পারছে তাকেও কিন্তু শেখানো যায়। আমাদের ধ্যানধারণায় পরিবর্তন আনতে হবে।’

গত মে মাসে এই অভিনেত্রীর মা একটা অনুষ্ঠানে সেরা মা হিসেবে পুরস্কার পান। সেটা সাফার কাছে খুব গর্বের। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি আমার কাজের জন্য সম্মাননা না পাইলেও কোনো আফসোস নাই। মা সম্মাননা পেয়েছে, এটাই চিরস্মরণীয় ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

আন্দোলনে অংশ নেওয়া নিয়ে মজার ঘটনা ভাগাভাগি করলেন সাফা। তিনি বলেন, ‘আমি যে আন্দোলনে গিয়েছি, আম্মু-আব্বু সেটা জানতই না। একদমই না। কারণ, বাবা জার্মানি থাকেন। বাবা সব সময় বলতেন, দরজা–জানালা বন্ধ করে রাখতে। কিন্তু আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। কারণ, আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। ১৯ জুলাই যখন আমি বাইরে যাই তখন মা-বাবা মনে করেছিলেন আমি ঘুমাচ্ছি।’
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের কারণে দীর্ঘদিন শুটিং থেকে দূরে ছিলেন এই অভিনেত্রী। অবশেষে বিরতি দিয়ে আগামীকাল থেকে শুটিং শুরু করছেন সাফা।