― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত বিজয়ের দিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ ৫ আগস্ট, গণ-অভ্যুত্থান দিবস। গত বছরের এই দিনে ছাত্র-জনতার প্রবল বিক্ষোভের মুখে ভারতে পালিয়ে যায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা। পতন হয় সারে পনের বছর ভোটাধিকার হরণ করে ক্ষমতায় টিকে থাকা আওয়ামী সরকারের।

দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করছে অন্তর্বর্তী সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সাধারণ ছাত্র-জনতা।

গত বছর ১ জুলাই শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে রূপ নেয় ৩ আগস্ট। ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের ডাকা ‘সর্বাত্মক অসহযোগে’ নজিরবিহীন সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। হাসিনার হুকুমে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারায় হাজারো ছাত্র-জনতা।

ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা তাঁদের ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি এক দিন এগিয়ে এনে ৫ আগস্ট নির্ধারণ করে। আর এতেই যেন ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায় বিগত সরকার ও সরকারপ্রধানের।

এর আগে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে ডাকা ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ বা ঢাকামুখী গণযাত্রা সফল করতে কারফিউ অমান্য করে রাজধানীর রাস্তায় নেমে আসে লাখো মানুষ। ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে স্রোতের মানুষ আসতে থাকে।

সকাল ১০টার পর থেকে যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, শহীদ মিনার, বাড্ডা, মিরপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের জমায়েতের খবর আসতে শুরু করে। রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী অবস্থান নিলেও রোধ করা যায়নি ঢাকামুখী জনস্রোত। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও হয়।

৫ আগস্ট রাত ১০টা পর্যন্ত দেশের অন্তত ৪৪ জেলায় হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে পরদিন খবর প্রকাশ করে গণমাধ্যমগুলো। এর মধ্যে পতিত সরকারের ৯ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং অন্তত ২৭ জন সংসদ সদস্যের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ জনতা।