― Advertisement ―

কোটাবিরোধী আন্দোলন: সড়ক অবরোধ করে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৯...

আগৈলঝাড়ায় নাতি হাসপাতালে শুনে দাদীর মৃত্যু

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সহপাঠির পিতার মারধরে অসুস্থ্য হয়ে নাতী হাসপাতালে ভর্তির সংবাদ শুনে দাদীর মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

আহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের কোদালধোয়া গ্রামের শিপন পান্ডের ছেলে তীর্থ পান্ডে (৭) ও দুলাল বৈষ্ণবের ছেলে দীপ বৈষ্ণব (৭) দুইজনেই কোদালধোয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত তিনদিন আগে তীর্থ ও দীপ শ্রেণিকক্ষে বসে মারামারি করে। স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে দীপের পিতা দুলাল বৈষ্ণব তীর্থ পান্ডেকে মারধর করে। পরে তীর্থের বাড়ি গিয়েও তার পিতা-মাতাকে না পেয়ে দাদী মন্দাকিনি (৬৫) ও কাকাতো বোন ৭ম শ্রেণির ছাত্রী বিপাশা পান্ডেকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে দুলাল বৈষ্ণব। মারধরে তীর্থ পান্ডে অসুস্থ্য হয়ে পরে। ভয় ও আতংকে তীর্থ দুই দিন ধরে জ্বরে ভুগছিল। গত মঙ্গলবার দুপুরে তীর্থর জন্য দাদী মন্দাকিনি পাশের বাড়িতে পানিপড়া আনতে যায়। এসময় তীর্থ জ্ঞান হারালে তাকে পরিবারের লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। দাদী বাড়িতে এসে নাতী তীর্থের জ্ঞান হারানো ও হাসপাতালে নেওয়ার কথা শুনে দাদী মন্দাকিনি নিজেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মিরন হালদার মন্দাকিনি পান্ডেকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় কোদালধোয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অবনী ওঝা বলেন, আমাদের স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী তীর্থ ও দীপ শ্রেণিকক্ষে বসে মারামারি করে। পরবর্তীতে দীপের পিতা দুলাল বৈষ্ণব তীর্থকে পথে বসে মারধর করে।

স্কুল ছাত্র তীর্থের পিতা শিপন পান্ডে জানান, আমার ছেলের সাথে তার সহপাঠি দীপের স্কুলে বসে মারামারি ও পরে দুলালের মারধরে ঘটনায় গুরুতর আহত হয়। পরে আহত অবস্থায় আমার ছেলেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে সেই সংবাদ শুনে আমার মা মন্দাকিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত দুলাল বৈষ্ণব মুঠোফোনে জানান, আমার ছেলেকে মারধরের কারনে আমি তীর্থ পান্ডেকে দুই-একটি চর থাপ্পর দিয়েছি।


এব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, এধরনের কোন ঘটনা আমাদের জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।