― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

অন্যদের দিয়ে পরীক্ষার খাতা দেখালে ২ বছর জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক :

এবছরের সদ্য ঘোষিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারণে কঠোর অবস্থানে ছিলো স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিরা। 

এর ফলে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতায় যে যতটুকু লিখেছেন, সে ততটুকুরই নম্বর পেয়েছেন। কোন সহানুভূতি নম্বর না দিয়ে বাস্তবতার উপরে পরীক্ষার্থীকে পাশ করানো হয়েছে।  এতে বিগত বছরের তুলনায় পাশের হার কমেছে অনেক। 

এবার চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারণে আগেভাগে প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। একই সাথে অনিয়মে অভিযুক্ত  শিক্ষকের বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের বিষয়টিও সামনে এনেছেন কর্তৃপক্ষ । 

পরীক্ষার খাতা দেখা ও মূল্যায়নে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যতো অভিযোগ: 

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা মতো পাবলিক পরীক্ষার খাতা দেখার সময় স্কুল বা কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দিয়ে মূল্যায়নের অভিযোগ ওঠে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। 

অনেক শিক্ষক আবার পরিবারের সদস্য স্ত্রী, সন্তান ও ভাই-বোনদের দিয়ে খাতা দেখান। এছাড়াও নিজের প্রাইভেট ব্যাচে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করিয়ে থাকেন । তারা পরীক্ষার্থীদের খাতায় নম্বরও দেন। 

এ ধরনের কাজ আইনগতভাবে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কেউ এ ধরনের কাজ করলে বা করার চেষ্টা করলে তা প্রমানিত হলে তার দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বলে সতর্ক করেছে শিক্ষা বোর্ড। 

যে ব্যবস্থা নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ড:

মূলত এইচএসসি পরীক্ষার খাতা বিভিন্ন পরীক্ষকের কাছে মূল্যায়নের জন্য এখন পাঠানো হচ্ছে। তার মধ্যেই এ ধরনের বিভিন্ন অভিযোগ গোপন সূত্র থেকে আসায় সতর্ক করে চিঠি দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

শনিবার (১৯ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার উত্তরপত্র একটি গোপনীয় বিষয়। এটি প্রধান পরীক্ষক বা পরীক্ষকদের কাছে আমানত। পরীক্ষার উত্তরপত্র প্রধান পরীক্ষক বা পরীক্ষক ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি, শিক্ষার্থী বা পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে (স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোন) দিয়ে বৃত্ত ভরাট বা পূরণ করানো বা মূল্যায়ন করানো যাবে না।

শাস্তির বিধান: 

এ ধরনের কাজ পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত ১৯৮০ সালের ৪২ নম্বর আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ অপরাধ প্রমাণিত হলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। 

টিবিএম/জ/রা